Please call us to check the stock before placing the order! Hotline: 01976270004 ✨

695a4c4d269c91767525453.webp
04
Jan

বাজেটের মধ্যে সেরা এয়ারবাডস

মার্কেটের এতো এতো এয়ারবাডস ব্র্যান্ড থাকায় কম বাজেটে এয়ারবাডস কেনা এখন স্মার্ট কনসিউমারদের জন্য সহজ। তবে সঠিক মডেলটা বেছে নিতে হলে শুধু লুকস বা ব্র্যান্ড নাম দেখলেই হলো না। একটি ভ্যালু ফর মানি এয়ারবাডস কিনতে গেলে সাউন্ড কোয়ালিটি, কমফোর্ট, কানেক্টিভিটি, ব্যাটারি লাইফ আর মাইক্রোফোন পারফরম্যান্স মিলিয়ে দেখা দরকার।

কীভাবে বুঝবেন কোনটা ভালো বাজেট এয়ারবাডস? 

সেরা পাঁচটি এয়ারবাডস নিয়ে আলোচনার পূর্বে চলুন একটু জেনে আসি একটি ভালো মানের বাজেট এয়ারবাডস কেনার পূর্বে ঠিক কি কি বিষয় দেখতে হয় — 

প্রথমেই লক্ষ্য রাখবেন সাউন্ড ফান্ডামেন্টালস। ড্রাইভার টাইপ ও সাইজ, ফ্রিকোয়েন্সি রেসপন্স এবং সিগনাল টু নয়েজ রেশিও (SNR) -হলো বেসিক। বাজেটের মধ্যে সাধারণত ডায়নামিক ড্রাইভার বেশী দেখা যায়। বড়, যেমন ১০ – ১৪mm ড্রাইভার বেশি বেইস দিতে পারে। 

দ্বিতীয়ত আসে কানেক্টিভিটি ও লেটেন্সি। কনসিস্টেন্ট কানেকশনের জন্য Bluetooth ভার্সন (5.2/5.3/5.4) হলে ভালো। পাশাপাশি গেমিং/ভিডিও দেখতে লো লেটেন্সি প্রয়োজন। তাই স্পেসিফিকেশন এ Latency বা “Gaming Mode” উল্লেখ থাকলে ভাল।

তাছাড়া বাজেটেও এখন, কলিং ও মাইক্রোফোন টেকনোলজি পাওয়া যায়। ENC (Environmental Noise Cancellation) ও Beamforming মাইক্রোফোন ফিচার ভয়েস কলকে ক্লিয়ার রাখে। এখন বহু মডেলে ডুয়াল-মাইক্রোফোন সেটআপ থাকে; সেটি ব্যাকগ্রাউন্ড নয়েজ কমিয়ে জেনারেল কলিং এক্সপেরিয়েন্সকে বাড়িয়ে দেয়। 

এরপর বিল্ড ও রেজিস্ট্যান্স এর দিকে লক্ষ করলে IPX রেটিং (IPX4/IPX5 ইত্যাদি) দেখুন। ওয়াটার রেজিস্ট্যান্স থাকলে জিম করার সময় বা হালকা বৃষ্টিতে ব্যবহার করলে কোনো সম্যসা নেই। এছাড়াও এয়ারবাডস-এর ইউজ আরো স্মার্ট করতে হলে টাচ কন্ট্রোল, ফিজিকাল বাটন, ও অ্যাপ সাপোর্ট (EQ টিউনিং, ফার্মওয়্যার আপডেট) থাকলে ভালো। 

বাজেটের মধ্যে সেরা এয়ারবাডস

কম বাজেটে ভালো এয়ারবাডস খুঁজে পাওয়া অনেকের জন্য চ্যালেঞ্জ হতে পারে। বাজারে প্রচুর মডেল থাকায় শুধু লুকস বা ব্র্যান্ড দেখলেই হবে না। এখানে আমরা আপনাদের জন্য বাছাই করেছি বাজেটের মধ্যে সেরা এয়ারবাডস, যা দেবে বেটার ভ্যালু ফর মানি আর ইউজার এক্সপেয়েন্স। 

১। Anker Soundcore R50i NC TWS Earbuds 

Anker Soundcore R50i NC TWS Earbuds হলো বাজেট সেগমেন্টে এমন একটি ইয়ারবাড,  যাতে স্টাইল, ANC, লং ব্যাটারি লাইফ এবং স্মার্ট ফিচারসহ সবকিছু এক কথায় all in one প্যাকেজে পাওয়া যায়। এর ব্রিফকেস-শেপড 2-in-1 কেসটি চার্জিং স্টেশন হিসেবে কাজ করার পাশাপাশি ফোন স্ট্যান্ড হিসেবেও ব্যবহার করা যায়।

এর ১০ মিমি ড্রাইভার ও BassUp টিউনিং থেকে পাওয়া যায় পরিষ্কার ভোকাল, পাঞ্চি বেস ও ব্যালান্সড অডিও আউটপুট। গেমিং কিংবা ভিডিও, সবক্ষেত্রেই সাউন্ড সিগনেচার স্টেবল থাকে। এর Adaptive ANC টেকনোলজি ব্যাকগ্রাউন্ড নয়েজকে সর্বোচ্চ ৪২ডিবি পর্যন্ত কমাতে পারে।

কলিং পারফরম্যান্সেও মডেলটি চমৎকার। এতে রয়েছে ৪টি মাইক্রোফোন + কাস্টম AI অ্যালগোরিদম। এতে ব্যবহার করা হয়েছে Bluetooth 5.4 ভার্সন, যা কানেক্টিভিটি স্টেবল রাখে এবং লেটেন্সি কমায়। এছাড়াও এই ইয়ারবাড ডুয়াল ডিভাইস কানেকশন সাপোর্ট করে। 

ইয়ারবাডটির ব্যাটারি লাইফও অসাধারণ। ইয়ারবাডে ১০ ঘণ্টা এবং কেসসহ মোট ৪৫ ঘণ্টা পর্যন্ত ব্যাকআপ পাওয়া যাবে। ANC অন থাকলেও যথেষ্ট ব্যাকআপ পাওয়া যায় (৭ ঘণ্টা / ৩০ ঘণ্টা)। এছাড়া ফাস্ট চার্জিং-এ মাত্র ১০ মিনিট চার্জে ২ ঘণ্টা অডিও শোনা যায়। যারা নিয়মিত অডিও শোনেন, গেম খেলেন বা দীর্ঘসময় কলে কথা বলেন, সব ধরনের ইউজারের জন্যই এটি একটি ব্যালান্সড ও ভ্যালু-ফর-মানি ডিভাইস হবে।

২। Redmi Buds 6 Lite ANC TWS Earbuds


Redmi Buds 6 Lite ANC ইয়ারবাডটি হাতে নিলেই বোঝা যায় ডিজাইনটা বেশ সিম্পল। তবে এর ইউজার এক্সপেরিয়েন্স তার থেকে অনেক বেশি পাওয়ারফুল। Xiaomi এতে বিশেষ করে লাইটওয়েট ফিট আর স্মার্ট নয়েজ ক্যানসেলেশন নিয়ে বেশ সিরিয়াস ছিল, আর সেই জিনিসটাই এই মডেলে স্পষ্টভাবে ফিল করা যায়।

১২.৪ মিমি এর বড় ড্রাইভারটি বেশ ডিটেইলড সাউন্ড দেয়, বেসটা ওভারডোজ নয় বরং ব্যালান্সড। আর এর ডুয়াল-মাইক AI Noise Reduction কথা বলার সময় আশেপাশের শব্দকে পারফেক্টভাবে লোয়ার করে দেয়।

এয়ারবাডটির ব্যাটারি নিয়ে চিন্তা করারও দরকার নেই। ইয়ারবাড ও কেস মিলিয়ে প্রায় ৩৮ ঘণ্টা প্লেব্যাক পাওয়া যাবে মানে সপ্তাহে ২–৩ বার চার্জ দিলেই চলে যাবে। আর সবচেয়ে ভালো দিক হলো Xiaomi Earbuds App, যেখানে চারটা প্রি-সেট EQ আর একটা কাস্টম EQ আছে। মানে আপনি আপনার সাউন্ড প্রোফাইল নিজের মতো করে সাজাতে পারবেন।

৩। Oraimo SpaceBuds Z ANC TWS Earbuds

ভাবুন আপনি ব্যস্ত রাস্তায় দাঁড়িয়ে — গাড়ির হর্ন, মানুষের কথাবার্তা, চারদিকের আওয়াজ… কিন্তু কানে যখন থাকে Oraimo SpaceBuds Z ANC, তখন বাইরের সব শব্দ যেন ‘মিউট’ হয়ে যায়। আপনি যেন একটি পার্সোনাল স্পেসে রয়েছেন। ঠিক এই নয়েস ক্যান্সেলেশন ফিচারটিই এই ইয়ারবাডসের মূল আকর্ষণ।

এর 10mm ডাইনামিক ড্রাইভার বেশ ক্লিয়ার সাইন্ড দেয়। ভোকালগুলো স্পষ্ট, বেসটা হেভী এবং অডিও শুনলে মনেই হবে না যে সত্যিই এটি বাজেট রেঞ্জের মডেল।

ANC অন করলে হালকা ব্যাকগ্রাউন্ড নয়েজ গায়েব হয়ে যায়। আর কল? 4-mic ENC থাকায় ক্যাফেতে বসে ভিডিও কল করলেও অপরপাশে বোঝাই যাবে না আপনি কোথায় আছেন। এর ব্যাটারি লাইফও বেশ ইম্প্রেসিভ। ANC OFF করলে মোটে 10+28 ঘন্টা, আর ANC ON করেও প্রায় পুরোদিন টেনে নিতে পারে। Bluetooth 5.4 থাকায় গেমিং-এ ল্যাগ প্রায় নেই।

৪। HUAWEI FreeBuds SE 3

HUAWEI FreeBuds SE 3-কে প্রথম দেখাতেই চোখে পড়বে এর লাক্সারিয়াস ডিজাইন, যাতে আছে smooth synthetic leather texture আর subtle metal accents. এগুলো এই Earbuds-কে একটা প্রিমিয়াম ভাইব দিয়েছে। মাত্র 3.8 গ্রাম ওজনের এই ছোট্ট ইয়ারবাডগুলো কানে এমনভাবে ফিট হয় যে, কয়েক মিনিট পর ভুলেই যাবেন কানে কিছু পড়ে আছেন।

এতে আছে 10mm dynamic driver, যা প্রতিটা বিট, ভোকাল আর ইনস্ট্রুমেন্ট আলাদা করে ডিটেইলে সাউন্ড ডেলিভার করে। মুভি বা গেম খেলার সময় Bluetooth 5.4 এর low-latency কানেকশন অডিও আর ভিডিওর মাঝে কোনো ধরণের ল্যাগ তৈরি করে না। .

ব্যাটারি লাইফ এর কথা বলতে গেলে, এক চার্জে ৯ ঘণ্টা, আর কেসসহ মোট ৪২ ঘণ্টা। মানে পুরো উইকএন্ড কেটে যাবে চার্জ নিয়ে টেনশন ছাড়াই। ফাস্ট চার্জিং ফিচার থাকায় তাড়াহুড়োতে মাত্র ১০ মিনিট চার্জে ৩ ঘণ্টা ব্যাকআপ পাওয়া যাবে। 

ডাস্ট-স্প্ল্যাশ প্রতিরোধে IP54, আর টাচ সেন্সর মিলিয়ে ইউজার এক্সপেরিয়েন্স একদম স্মুথ পাওয়া যাবে। আর এটি SBC/AAC কোডেক থাকার কারণে Android এবং iPhone-সব ডিভাইসেই বেশ ক্লিন ও ব্যালান্সড সাউন্ড পাওয়া যাবে।

৫। Monster Airmars XKT10 TWS Wireless Bluetooth Earphones

প্রথম দেখাতেই মনে হবে যেন সাই-ফাই মুভির কোনও স্পেসশিপ ডকের ভিতর থেকে বেরিয়ে আসছে এই XKT10 এয়ারবাডটি। এর চার্জিং চেম্বারের কপার রিং মেমব্রেন আর sci-fi ইনস্পায়ার্ড লাইটিং একে শুধু TWS না একটা ফিউচারিস্টিক গ্যাজেট বানিয়ে দিয়েছে। যারা লুক আর ভাইব নিয়ে সিরিয়াস- এই ইয়ারবাড তাদের জন্যই।

এতে আছে 13mm ডায়নামিক স্পিকার ইউনিট, যার বেস punchy, ভোকাল ক্লিন আর ইন-গেম অডিও যথেষ্ট  ডিটেইলড। এর Bluetooth 5.2 ও ATS3015 চিপসেট গেমিং ল্যাটেন্সিকে একদম লো – করে দেয়।

ইয়ারবাডগুলো খুব লাইটওয়েট এবং লং সেশনের জন্য তৈরি হওয়ায় দিনভর ইউজ করার মতো কমফোর্টও পাবেন। আর ভয়েস অ্যাসিস্ট্যান্ট সাপোর্ট থাকায় ফোন না ধরেও অনেক কিছু কন্ট্রোল করতে পারবেন।

ব্যাটারি লাইফ প্রায় ৪ ঘণ্টা + কেসসহ ১৪ ঘণ্টা, মানে রেগুলার ডে-টু-ডে ইউজের জন্য যথেষ্ট। মূলত যারা ইউনিক ডিজাইন, sci-fi ভাইব আর ক্রিস্টাল-ক্লিয়ার অডিও একসাথে চান, Monster Airmars XKT10 তাদের জন্য অসাধারণ একটা কম্বো।


বাজেটের মধ্যে এয়ারবাডস বাছাই করতে গেলে শুধু দাম নয়, ভ্যালু ফর মানি, সাউন্ড কোয়ালিটি, কানেক্টিভিটি, ব্যাটারি লাইফ এবং কলিং পারফরম্যান্স মিলিয়ে দেখতে হয়। 

আমাদের আজকের তালিকায় থাকা সবগুলো মডেলই বাজেটের মধ্যে সেরা পারফরম্যান্স এবং ফিচার অফার করে। এই মডেলগুলো লং ব্যাটারি, স্মার্ট ANC, গেমিং মোড বা প্রিমিয়াম লুক-এর মতো ভিন্ন ভিন্ন ইউজার প্রোফাইলের জন্য বাছাই করা হয়েছে। 

তাই আপনার ইউজ কেস এর উপর ভিত্তি করে পারফেক্ট এয়ারবাডসটি বেছে নিতে ভিজিট করু Gadget N Gadget-এ পাবেন অফিশিয়াল ওয়ারেন্টি, নিশ্চিত অরিজিনাল প্রোডাক্ট, এবং সহজ ও নিরাপদ অনলাইন অর্ডারিং সিস্টেম। চাইলে নিকটস্থ শোরুমে এসে সরাসরি কিনে নিতে পারবেন অথবা ওয়েবসাইটে অর্ডার করলে পৌঁছে যাবে আপনার বাসায়।


+8801976270004

Need Help ? Call Now